1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. uddinjalal030@gmail.com : jalaluddin :
  3. dailyazadirkantho24@gmail.com : kantho24 :
  4. puloks25@gmail.com : puloks :
  5. rakibkst1996@gmail.com : rakibkst1996 :
  6. news.thekushtiareport24com@gmail.com : shomoyerbangla24 :
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষিত তারিখ পর্যালোচনা করা হতে পারে-স্বাস্থ্য মন্ত্রী - Online TV
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১২:৪০ অপরাহ্ন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষিত তারিখ পর্যালোচনা করা হতে পারে-স্বাস্থ্য মন্ত্রী

সম্পাদক,পুলক সরকার
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ৫৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষিত তারিখ পর্যালোচনা করা হতে পারে-স্বাস্থ্য মন্ত্রী

 

পুলক সরকারঃ
দেশে একদিকে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু, অন্যদিকে কমছে করোনা টিকাগ্রহীতার সংখ্যা। মহামারি পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে নতুন করে আবারো ভয় দেখা যাচ্ছে।
গণমাধ্যমে সংক্রমণের তথ্য প্রকাশের পরপরই রাস্তাঘাটে- দোকানে -অফিসে এ নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন মানুষ । সরকার লকডাউন দেবে কি না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কি না, এসব নিয়েও প্রশ্ন ।
সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষিত তারিখ পর্যালোচনা করা হতে পারে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।আর যদি করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে তারা তাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেবেন।তবে মাস্ক পরার ব্যাপারে কড়াকড়ি করতে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবেন।
বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে একই বছরের ১৮ মার্চ। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেওয়া হলেও বেশ কয়েক ধাপ বাড়ানোর পর আগামী ৩০ মার্চ খুলে দেওয়া হতে পারে স্কুল-কলেজ।
দেশে সর্বশেষ এক দিনে ১৮ হাজার ৬৯৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৭৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত তিন মাসের মধ্যে এত সংক্রমণ হয়নি। শনাক্তের হার প্রায় ১০ শতাংশ। তবে বিপদের কথা হচ্ছে, এখন তরুণরা হাসপাতালে আসছে বেশি।
গতকাল সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রমণের গণমাধ্যমে পাঠানো নতুন তথ্যে ২৬ জনের মৃত্যুর খবর জেনেছে দেশের মানুষ, যা গত আড়াই মাসের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
বর্তমানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে না। কোভিড রোগীদের চিকিৎসা, নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা এবং ইতিমধ্যে সরকার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দিয়েছে । ১৩ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠানো এক চিঠিতে সব মানুষের মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃত্যুর হার গত কয়েক মাসের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংক্রমণের হার রোধের জন্য সর্বক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে‘গত কয়েক মাসে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়গুলো মানুষের মধ্যে গুরুত্ব হারিয়েছে।’
একই ধরনের কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল দেখা যাচ্ছে। বিয়েশাদিসহ সামাজিক অনুষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। এসব জায়গায় মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এগুলো সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ।’ তাঁরা বলেছেন, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।
এখন পর্যন্ত ৪৪ লাখের কিছু বেশি মানুষ প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন। এ সংখ্যা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য যথেষ্ট নয়। জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, জনসমাগম থেকে মানুষকে বিরত রাখতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।‘মাস্ক না পরে ঘরের বাইরে এলে প্রয়োজনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 shomoyerbangla.com
Design & Developed BY shomoyerbangla
x