1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. uddinjalal030@gmail.com : jalaluddin :
  3. masudranameherpur9941@gmail.com : masudranameherpur :
  4. puloks25@gmail.com : puloks :
  5. rakibkst1996@gmail.com : rakibkst1996 :
  6. news.thekushtiareport24com@gmail.com : shomoyerbangla24 :
দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালের বিনামূল্যের সরবরাহকৃত ওষুধ ভাগাড়ে ! - Online TV
শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালের বিনামূল্যের সরবরাহকৃত ওষুধ ভাগাড়ে !

দৌলতপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
হাসপাতালের বিনামূল্যের সরবরাহকৃত ওষুধ ভাগাড়ে

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের জন্য বিনামূল্যের সরবরাহকৃত ওষুধ ভাগাড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। অথচ হাসপাতালে আগত রোগীদের তা সময়মত সরবরাহ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

 

হাসপাতালে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ,বেশীরভাগ ওষুধ তাদের বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে আনতে হয়। রয়েছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহের অভিযোগও। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনেদেখা যায়, দৌলতপুর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতরে রোগীদের জন্য বরাদ্ধকৃত সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ ভাগাড়ে পড়ে রয়েছে। এ সব ওষুধ সময়মতো সাধারণ রোগীদির মাঝে সরবরাহ না করে বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে আনানোর অভিযোগ রয়েছে।

 

 

গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসার জন্য ভর্তি হওয়া স্থানীয় হরিণগাছী গ্রামের বৃদ্ধ লুৎফর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি আজ তিনদিন এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। দিনে একটা লাল আর একটা নীল রংয়ের বড়ি দেয়। তা ছাড়া অন্য ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।’

 

 

হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, সরকারি স্যালাইন হাসপাতালের সঙ্গে জড়িত কিছু ওষুধ ব্যবসায়ী ও দালাল চক্রের কাছ থেকে সাধারণ রোগীরা কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

 

হাসপাতাল ঘনিষ্ট একাধিক সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সরকারি ওষুধ সরবরাহ থাকলেও আগত রোগীদের সরবরাহ নেই বলে বাইরের ফার্মেসী থেকে ইনডোর ও আউটডোর রোগীদের কিনে আনতে বাধ্য করা হয়।

 

 

সরকারি ওষুধ ভাগাড়ে পড়ে থাকার কারণ জানতে চাইলে হাসপাতালের ষ্টোর ইনচার্জ বজলুর রহমান বলেন, ‘আমি ওষুধের হিসেব রাখি না। এগুলো হিসেব স্যারের কাছে থাকে।’ তিনি এ ব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান।

 

 

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারণে ওষুধ ফেলে দেওয়া হয়েছে। সরকারি ওষুধ রোগীদের সময়মতো না দিয়ে এখন মেয়াদ উত্তীর্ণ বলে ফেলার কারণ জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাননি।

 

 

তাছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিধিসম্মত ভাবে নষ্ট না করে ভাগাড়ে ফেলে জনস্বাস্থ্যকে আরো ঝুকির মধ্যে ফেলে দেয়া হলো কি না? এমন প্রশ্নেরও জবাব দেননি তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
All rights reserved © 2020 shomoyerbangla.com
Design & Developed BY Anamul Rasel
x