খাজানগর, কবুরহাট এলাকার অটোরাইচ মিলের রাসায়নিক বজ্র জিকে ক্যানালে ঢুকে হুমকীর মুখে চাষাবাদ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৮৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
খাজানগর, কবুরহাট
খাজানগর, কবুরহাট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : চাষী জমির উন্নয়নের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন জিকেপ্রজেক্টের খাল মানুষের জন্য ভয়ানক শত্রু করে তুলেছে খাজানগর, কবুরহাট এলাকার অটো রাইস মিল গুলো। একটি মিলের ও বাধ্যতামূলক ওয়াটার টিটমেন্ট প্লান্ট থাকার নিয়ম থাকলেও কোন অটো রাইচ মিলেই তার বালাই নেই। এইসব মিল গুলো ক্ষতি কর রাসায়নিক বজ্র যুক্ত পানি জিকে ক্যানালে সরাসরি সংযোগের ফলে সেখানে তীব্র দুর্গন্ধ বের হয়,ক্যানালের পাশ দিয়ে রাস্তা দিয়ে অধিবাসীদের হেটে চলাচল করা দুরূহ হলেও নাক মুখ টিপে পথ চলেএলাকাবাসী,দুর্গন্ধে নাক মুখ বুজে সহ্য করতে হয় তেমনি কোন প্রকার অভিযোগ করতে বছরের পর বছর মুখ বন্ধ রাখতে হয়। প্রবল প্রভাবশালী মিল মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে রয়েছে এ অঞ্চলের প্রায় বিশ হাজার জন বসতী।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই বলা চলে এ অঞ্চলে তিন ফসলী জমি অতি উর্বরতা ছিলো এখন বন্ধ প্রায়, আগে যে জমিতে পঁচিশ ছাব্বিশ মন ধান হত এখন সেখানে সাত আট মন ধান হয়ে থাকে। অনেকচাষী এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চাষাবাদ বাদ দিয়ে বিকল্পের সন্ধানেও ব্যর্থ,, কি করবে চাষী জমিতে? এলাকা বাসী সুত্রে জানা যায় জিকে ক্যানালের খাল সর্বনিম্ন ত্রিশ ফিট কোথাও পঞ্চাশ ফিট স্থান ভেদে কোথাও সত্তর ফিট। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এ খাল গুলো দখল হতে হতে এতটাই সংকীর্ণ হয়েছে যে এখন ইহাকে খাল বলা যায়না, এ ক্যানাল এখন নালা বা আবর্জনার ড্রেনের রূপ নিয়েছে। অধিবাসীদের ক্ষোভ তিন চার মাস আগে ত্রিশ লক্ষ টাকা খরচ করে খাজানগর এলাকার এ খালের সংস্কার করেছেন সরকার কিন্তু মাত্র একয়দিননের ভিতরে ময়লার পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। একই অবস্থা বটতৈল আনু মোড় থেকে কবুরহাট-বটতৈল বিলের মাঠ পর্যন্ত জিকে ক্যানালের। এই ক্যানাল দীর্ঘদিন ময়লা আবর্জনায় করুন দশাসহ রাতার পাশে বেদখল করে রেখেছে প্রভাবশালী মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা। অধিবাসীদের অভিযোগ খালের উপর দিয়ে যেখানে কালভার্ট রয়েছে সেখানে ময়লা আবর্জনা আটকে থাকে দূষিত পানি ফুলে ওঠে রাস্তায় উঠে আসে তখন অধিবাসীদের আবর্জনার পরিস্কার করতে লগা দিয়ে খুঁচিয়ে সরাতে হয় প্রতিনিয়ত যাহা খুব বিড়ম্বনা। এলাকাবাসী,দুর্গন্ধে অভিযোগ দিলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারা অভিযুক্ত দের কাছেই যান,ফলত আপ্যায়ন ও তেল খরচের লাখ টাকার উৎকোচে ফিরে যান, এভাবেই চলছে বছরের পর বছর প্রতিকার নেই। কিন্তু কুষ্টিয়ার পরিবেশ অধিদফতর থাকেন ঘুমিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x