কুষ্টিয়া পোড়াদহ কাপড়ের হাটের বাৎসরিক ইজারার লটারী সম্পন্ন হলেও ধোঁয়াশা কাটছে না

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০
  • ১৫৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাপড়ের হাট পোড়াদহ। গত ৪ তারিখ বিকাল তিনটায় মিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই দরপত্র লটারী সম্পন্ন হয়। লটারীর বাক্স উন্মুক্ত করেন মিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস। এসময় লটারীতে অংশগ্রহণকারী ইজারাদারগন সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লাটারী তে সাইফুর রহমান ও শরীফুজ্জমান নামে দুই জন অংশগ্রহন করেন। শরিফুজ্জমান ইসলাম ৪২ লাখ ১ হাজার টাকা দর প্রদান করেছিলেন, এবং সাইফুর রহমান ৪৬ লাখ ১ হাজার এক টাকা দর প্রদান করেছিলেন। আইন অনুযায়ী মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস সাইফুর রহমান কে সব্বোর্চ দরদাতা হিসাবে লটারীতে বিজয়ী ঘোষনা করেন।

মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাসের সাথে কথা হলে প্রতিবেদককে জানান খুব দ্রত সময়ের মধ্যে দরপত্র যাচাই বাছাই কমিটির সভা হবে এবং উক্ত সভায় কাগজ পত্র যাচাই বাছাই এর মাধ্যমে সর্ব্বোচ্চ দরদাতাকে পোড়াদহ কাপড়ের হাটের ইজারা গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা হবে। এদিকে গত ১২ তারিখ বিকাল ৩ টায় মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে মিরপুর উপজেলা হাটবাজার ইজারা সংক্রান্ত কমিটির সভা সম্পন্ন হয়। সভায় পোড়াদহ কাপড়ের হাট, পোড়াদহ সাপ্তাহিক হাট ও পোড়াদহ তহ্ বাজার এই ৩ টি হাট বাদে সকল হাটের ইজারা সর্বচ্চ দরদাতাকে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কেন এই ৩ টি হাটের ইজারা প্রদান করা হলো না এব্যাপারে কথা হলে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস জানান এই হাট গুলোতে দুইজন দরপত্র প্রদান করে এবং পরবর্তি সময়ে দুইজনই দরপত্র তুলে নিতে আমার বরাবর আবেদন করে। এই কারনে এই হাট গুলোর ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তি সময়ে জেলাপ্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সাইফুর রহমান ও শরীফুজ্জমান এর সাথে কথা বললে তারা বলেন হাট কমিটির অনুরোধে পরে এই আবেদন করেছেন। তারা আরও জানান আইন অনুযায়ি যদি আবেদন গ্রহন করা হয় তাহলে মুখ বন্ধ খাম তাদেরকে ফেরত দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে তাদেরকে মুখ বন্ধ খাম ফেরত দেওয়া হয়নি। তারা বলেন দরপত্র খোলার পর তাদের কাছ থেকে দরখাস্ত নেওয়া হয়। যা বিধি মোতাবেক হয়নি। ভুক্তভুগি দুজন ঠিকাদার এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য সরকারী বিজ্ঞপ্তিতে ৪১ লাখ ৭৩ হাজার ৭০০ টাকা ইজারার দর নির্ধারন করা হয়েছিলো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x