আড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ আনসারী বিপ্লবের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ মে, ২০২০
  • ১৫৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান সাঈদ আনসারী বিপ্লব । রবিবার সকালে আড়িয়া ইউনিয়নে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান সাঈদ আনছারী বিপ্লব বলেন, আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় জনগণের সাথে আমার দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে প্রশাসনিক ও স্থানীয় আচার ও বিচারকার্য যথাযথ সুনাম নিয়েই পরিচালনা করে আসছি। এতে স্থানীয় ভাবে আমার কর্মকান্ড নিয়ে পজেটিভ জনশ্রুতি রয়েছে। আড়িয়া ইউনিয়ন কে নিয়ে তথা কথিত অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশে ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সরকারবিরোধী একটি কুচক্রী মহল সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। কোনো এক ব্যক্তি তার হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এমন বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমি জনগনের সেবা করে থাকি। জনগনের সম্পদ লুটপাট করে খাব এ ধরনের মন মানসকিতা আমার নেই। যে মিথ্যা ভিত্তিহিন সংবাদ পরিবেশন করে আমাদের মান সম্মানের ক্ষতি করা হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি এ যাবৎ সততা ও আদর্শের সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি কোন অন্যায় করে থাকলে আপনারা লিখবেন আমি তাদের সম্মান জানাব। কিন্তু মিথ্যে বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে হেয় প্রতিপন্ন করবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জানান– আমার জানামতে অস্বচ্ছল পরিবার কে কার্ড করে দেয়া হয়নি। যে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের স্ত্রী’র নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে,তালিকা প্রণয়নকারী ওয়ার্ড কমিটির কাছে তাকে দুস্থ বলে মনে হয়েছে এবং কার্ড বরাদ্দের সময় ওই পরিবারটি অস্বচ্ছল ছিলো। একই ব্যাক্তির নাম একাধিক জায়গায় থাকার বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। বিষয়টি দেখা হবে আবার লেখার ভুল হতে পারে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কার্ড থেকেও চাল না পাওয়ার কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা ৯২টি কার্ড ক্লোজ করেছি সুতরাং যার যে কার্ড সেই কার্ডেই নিয়মিত চাল তুলে আসছেন এবং নিয়মানুসারে তারা টাকাও জমা দিয়ে আসছেন। কাবের আলীর যে ট্রাকের কথা বলা হয়েছে, এমন কিছু নেইও। রাশিদুল ইসলাম বিপর্যস্ত একজন মানুষ। তিনি এলাকায় থাকেনও না। কোন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের আত্মীয় বা পরিবার দুস্থ হলে তাকে ভিজিডি কার্ড দেয়া যাবে না এমন কোন নিয়ম নেই।

কোন-কোন ক্ষেত্রে নিজের ভিজিডি কার্ড অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়ে চাল উত্তোলনের অভিযোগও ভোক্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান।

চেয়ারম্যান সাঈদ আনছারী বিপ্লব বলেন আমার কিছু প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য এবং আমার সুনাম নষ্টের জন্য সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। যা প্রকৃতপক্ষে সত্য না। বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আমি এই সংবাদ সম্মেলণের মাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যেকটি অসহায় ও দুস্থ্যদের পাশে দাড়ানোর অঙ্গিকার করছি। এবং এই করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।


এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যরাসহ স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x