যেখানে কেও নাই, সেখানে আছে ছাত্রলীগ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ মে, ২০২০
  • ১২১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা ভাইরাস এর কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের ও প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী বাদে প্রায় সবধরনের জনগণ বাসায় অবস্থান করেলও ঘরে বসে নেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এক কথায় যেখানে কেও নেই সেখানে আছে ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ সবসময় মানবসেবাই ছিলো,আছে এবং থাকবে ঠিক এই কথাটির প্রমাণ রেখে চলেছেন কুষ্টিয়া জেলার ছাত্রলীগের কৃতি সন্তানেরা। যেই সংগঠন এর মূলনীতি শিক্ষা,শান্তি, প্রগতি সেই সংগঠন মানবকল্যাণে কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক। আজকে কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগের কিছু কৃতি সন্তানদের কথা তুলে ধরা হলো। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জন ঘোষ ধর্মে হিন্দু হলেও করোনা ভাইরাস এবং রমজান মাসে তার গ্রামের বাড়ি মিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হতদরিদ্র দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী এবং ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন এবং অসংখ্য অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাড়ান। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এর সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল সিদ্দিকী রাজনীতি ও পড়াশোনার কারণে ঢাকা তে থাকলেও করোনা ভাইরাস এর কারণে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলায় এসে বেশকিছু অসহায় কৃষক এর ধান কেটে দিয়েছে এবং অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আরেকজন সাংগঠনিক সম্পাদক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছেলে বরিকুল ইসলাম বাঁধন তিনি করোনা মহামারীতে ঘরে বসে নেই তার নিজ এলাকার অসহায় ও দুস্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং কৃষক এর ধান কেটে দেন।

কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াছির আরাফাত তুষার করোনা ভাইরাস এর কারণে এক হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং কৃষক এর ধান কেটে দেন।

কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদ দেশে যখন থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু করে তখন থেকেই খাদ্য সামগ্রী নিয়ে মানুষের পাশে দারিয়েছেন এবং পুরো রমজান মাস জুড়ে ছিন্নমূল দের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন।

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপন হোসেন করোনার ভাইরাস এর প্রথম দিকে রাস্তায় চলাচল রত মানুষের মাঝে মাস্ক, স্যানিটাইজার বিতরণ করেন, এছাড়া বেকার হয়ে পড়া রিক্সা ও অটো চালকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং কুষ্টিয়া শহরের নাইটগার্ডের মাঝে সেহেরির খাবার বিতরণ করেন।

কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ নেতা হাফিজ শেখ চ্যালেঞ্জ যার গল্প টা একটু ভিন্ন, ছাত্রলীগ নেতা হাফিজ শেখ চ্যালেঞ্জ এর নেতৃত্বাধীন প্রায় অর্ধশত ছাত্রলীগের ছেলেরা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবীর দায়িত্ব পালন করছে, যেখানে রোগী বেড এ পৌঁছে দেওয়া, খাবার সরবারহ, ও সুস্থ হলে রোগীকে বাসায় পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করছে এবং রোগীদের নানা পরামর্শ প্রদান করছেন। এছাড়া কুষ্টিয়া জেলা জুড়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মানবিক কাজ করে চলেছেন।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা করোনা রোগে মারা যাওয়া ব্যাক্তিকে দাফন করা থেকে শুরু করে নানামুখী কাজ করছেন যা ইতিহাসের পাতায় সারাজীবন লেখা থাকবে

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের কাজের প্রশংসা করে ধন্যবাদ প্রদান করেন সারা বাংলাদেশের ছাত্রলীগের অভিভাবক বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x