দৌলতপুরে এমপির ভাই হত্যায় দুই জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে মামলা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রকাশ্যে দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ অ্যাড. আ. কা. ম সরওয়ার জাহান বাদশার ফুপাতো ভাই ও ফিলিপনগর ইউনয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়মীলীগের সভাপতি হাসিনুর রহমানকে (৫০) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার এজাহারে ঘাতক মজিবুর বয়াতি ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ রয়েছে।

 

শনিবার দিবাগত রাত ১২ টার পর নিহতের স্বজন ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জুব্বার আলী বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই মজিবর বয়াতিকে আটক করে পুলিশ। তবে আরেক আসামী জাহাঙ্গীর পলাতক রয়েছে। হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রোববারও ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

 

 

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নিশিকান্ত জানান, মামলার তদন্ত চলছে। প্রাথমিক বিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক মজিবর বয়াতিকে রোববার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রæত আইনের আওতায় আনা হবে।

 

 

হত্যাকান্ডের বিষয়ে নিহতের মামাতো ভাই ও দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আ. কা. ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ বলেন, হাসিনুরকে হত্যা সাধারন ঘটনা হয়। এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পরিকল্পিত অংশ। তার পরিবার ও আওয়ামীলীগকে দুর্বল করতে এ হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। সুষ্ঠ তদন্ত করে হত্যাকান্ডের মুল কারণ ও এর পরিকল্পাকারীদের সনাক্ত করে অতি দ্রæত আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতি অনুরোধ করছি।

 

সাংসদ বলেন, ঘাতক মজিবর বয়াতির ছেলের হত্যাকান্ডের সাথে অনেকে যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছেন। হাসিনুর মজিবর বয়াতির ছেলের মামলার এজাহাভুক্ত কোন আসামী ছিল না যে তার উপর আক্রোশ হবে। তাই এটি নিছক সাধারন ঘটনা নয়, বরং সুক্ষ পরিকল্পনার অংশ তা স্পষ্ট।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে তিনি জব্বার আলী নামে একজনের মোটরসাইকেলে চড়ে নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় বাড়ির পাশেই নদীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাড়ির পাশেই নদীর ধারে একটি দোকানের কাছে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা একই গ্রামের মজিবর বয়াতি তার উপর আচমকা হামলা করে। হামলাকারী হাসুয়া দিয়ে হাসিনুরের শরীরে বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ভাবে কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে সে মোটরসাইকেল থেকে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x