কুষ্টিয়ায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বেড়েই চলেছে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ধলনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে অন্তত ২০টি বাড়ি।গতকাল মঙ্গলবার সকালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ধলনগর গ্রামের রবি মালিথা ও আলফাজ মেম্বর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ চলে আসছিল।

 

এরই সূত্র ধরে আজ সকালে দুইপক্ষের লোকজন ইট পাটকেল ঢাল সরকিসহ দেশীয় অস্ত্রে-সস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আলফাজ মেম্বর গ্রুপের নারীসহ অন্তত ৪৫ জন আহত হয় এবং কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এছাড়াও সংঘর্ষে রবি মালিথা গ্রুপের আরো ২২ জন আহত হয়। আহতদেরকে কুমারখালী ও কুৃষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ রবি মালিথার নেতৃত্বে উজ্জলসহ ১৫ থেকে ২০ জন দীর্ঘদিন ধরে এলাকা নিয়ন্ত্রন সহ নানারকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছে। আফজাল মেম্বরসহ এলাকার কিছু লোকজন এসবের প্রতিবাদ করলে বেশ কয়েকবার তাদের সাথে ছোট খাট সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর সূত্র ধরে সকালে রবি মালিথার লোকজন আফজাল মেম্বারের লোকজনের উপর হামলা ও লুটপাট চালায়।

 

 

রবি মালিথার ভাই কলম মালিথা বলেন, তুষার চেয়ারম্যানের সমর্থক আলফাজ মেম্বরের লোকজন আমাদের উপর দীর্ঘদিন যাবৎ হামলা চালিয়ে আসছে। আজ সকালে পুনরায় ঢাল সরকি বাঁশের লাঠি ইট পাটকেল নিয়ে হামলা করলে আত্মরক্ষায় আমরাও হামলা করি। এতে আমাদের ২০ থেকে ২২ জন আহত হয়েছে।

 

 

কুমারখালী থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত) মামুনুর রশিদ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মূলত দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে।

এদিকে পুলিশের হাতে গ্রেফতারের ভয়ে পুরুষ শূণ্য রয়েছে গ্রাম। আতঙ্কে পুরা এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x