দৌলতপুরে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে লম্পট আলম মাস্টারের প্রতারণা

Khandaker Jalal Uddin. Email: uddinjalal030@gmail.com
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 

দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের তেকালা গ্রামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে সুযোগ বুঝে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়ে সর্বসান্ত করেছে অনেক পরিবারকে একটি প্রতারক চক্র।

এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা জানান ৬/৭ জন সুদী ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে অনেক পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে দেশ ছেড়েছে, ঠিক তেমন এক গৃহবধূ জুলেখা, আলম মাস্টারের খপ্পরে পড়ে সর্বসান্ত হতে বসেছে।

এ বিষয়ে জুলেখা জানান ২০১৭ সালে আমার ভাই এর ছেলে বিদেশ যাওয়ার জন্য টাকার জুরুরী প্রয়োজনে পড়লে আমি আলম মাস্টার কাছে থেকে ১ বিঘা জমি’র উপর ১ লক্ষ টাকা নেই, যা কথা হয় জমি আমার দখলে থাকবে শুধু প্রতিবছর ১২ হাজার টাকা দেওয়া লাগবে জমির জন্য। পরে আবার টাকার প্রয়োজন হলে একই চুক্তিতে আর ১ বিঘা জমির উপর ১ লক্ষ টাকা নেই। তখন আলম মাস্টার ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নেন। তিনি বলেন কোন সমস্যা হবেনা আমি চুক্তি অনুসারে লিখবো। চুক্তি অনুসারে প্রতি বছরের টাকা আমি পরিশোধ করি তার পরেও আলম মাস্টার সমস্যার কথা বলে মোট ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা নিয়েছে।

হঠাৎ আমাকে কিছু না বলে স্ট্যাম্পে টাকা বেশী লিখে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়। আমি ক্যাম্প ইনচার্জ এর কথামতো ক্যাম্পে গেলে আলম মাস্টারের লোকজন দিয়ে জোর করে সালিশ বৈঠকের কাগজে সই করে নেয়। যে কাগজে আমার কাছে পাওনা ছাড়া অতিরিক্ত টাকা লেখা থাকে। পরে আমি বিষয়টি সুবিচারের জন্য লিখিত অভিযোগ করি। লিখিত অভিযোগ করলেও আলম মাস্টার ইউনিয়ন পরিষদে না গিয়ে বরং সে নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে আলম মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি প্রতিবছরের টাকা পরিশোধ হয়েছে বিষয়টি স্বীকার করেন কিন্তু তিনি দাবী করেন জুলেখার কাছ থেকে আমি বেশি টাকা পাব। তাহলে কি জন্য বেশি টাকা এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি আলম মাস্টার একপর্যায়ে নিউজ না করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

এদিকে একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন লম্পট আলম মাষ্টার জমির উপর টাকা এটা আসলে সুদ ব্যবসার উন্নত একটি কৌশল, যে কৌশলের ফাঁদে পা দিয়ে অনেক মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছে, এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ রয়েছে,তাই আমরা চাই বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধান হোক।

এ বিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জানান বিষয়টি লিখিত অভিযোগ হয়েছে পরিষদে এবং ২ বার আলম মাস্টারকে,নোটিশের মাধ্যমে ডাকা হয়েছে, তিনি উপস্থিত হন নাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
x