1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. uddinjalal030@gmail.com : jalaluddin :
  3. dailyazadirkantho24@gmail.com : kantho24 :
  4. puloks25@gmail.com : puloks :
  5. rakibkst1996@gmail.com : rakibkst1996 :
  6. news.thekushtiareport24com@gmail.com : shomoyerbangla24 :
কুষ্টিয়া অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন জনপদ ‘কুমারখালী’ - Shomoyer Bangla Online TV
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন জনপদ ‘কুমারখালী’

সম্পাদক,পুলক সরকার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ৩৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন জনপদ ‘কুমারখালী’

 

 

পুলক সরকারঃ

‘কুমারখালী’ কুষ্টিয়া অঞ্চলের মধ্যে অপেক্ষাকৃত প্রাচীন জনপদ হিসেবে পরিচিত।কুমারখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা যে একসময় নদী গর্ভে ছিল তার প্রমাণ মেলে কোল ও বিলের আধিক্য থেকে। তাই পদ্ম গর্ভ থেকে এই অঞ্চলের উদ্ভব হয়েছে বলে ধারণা প্রচলিত ।

কথিত আছে, নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজস্ব আদায়ের জন্য কমরকুলি খাঁ-কে এই অঞ্চলের কালেক্টর নিযুক্ত করেন। তাঁর নামানুসারেই এই অঞ্চলের নাম হয় ‘কমরখালী’ যার অপভ্রষ্ট-রূপ বর্তমান নাম ‘কুমারখালী’। আবার কুমার নদীর খাল থেকে ‘কুমারখালী’ নামের উৎপত্তি এই ধারণাও পোষণ করেন কেউ কেউ ।

প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের ফলে কুমারখালীর অবস্থান ও মর্যাদা বারবার পরিবর্তন হয়েছে। থানা থেকে মহকুমায় উন্নীত হয়ে কুমারখালীকে আবারও পরিণত হতে হয় থানায় ।

ইংরেজ শাসনের আগে কুমারখালী অঞ্চল ফরিদপুর ও যশোরের অন্তর্ভূক্ত ছিল। পরবর্তীসময়ে থানা কিংবা মহকুমা হিসেবে কুমারখালী রাজশাহী, পাবনা, নদীয়া এবং সবশেষে অন্তর্ভূক্ত হয় কুষ্টিয়া জেলার ।

১৮২৮ খ্রীঃ সালে পাবনা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে কুমারখালী পাবনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৫৭ খ্রীঃ সালে কুমারখালী মহকুমার জন্ম হয় পাবনা জেলার অধীনে কুমারখালী, খোকসা, পাংশা ও বালিয়াকান্দী থানা নিয়ে।

তবে নদীয়া জেলার কুষ্টিয়া মহকুমার সামিল হয়ে কুমারখালী মহকুমার মর্যাদা হারিয়ে পুনরায় থানায় পরিণত হয় ১৮৭১ খ্রীঃ সালে । কুমারখালী থানার সদর দফতর ছিল পার্শ্ববর্তী অধুনালুপ্ত ভালুকা গ্রামে। কুমারখালী এক সময নাটোর-রাজ্যের অধীনে ছিল। পরে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর-জমিদারির অন্তর্ভূক্ত হয়। রাণী ভবানী ও তাঁর উত্তরপুরুষদের নির্মিত মঠ-মন্দির এবং জনহিতকর কর্মের কিছু নিদর্শন এখনো আছে কুমারখালী অঞ্চলে ।

২৮৬.৭৭ ব: কি: মিঃআয়তন বিশিষ্ট উপজেলার ২০১ টি গ্রাম, ১১টি ইউনিয়নে ও ০১টি পৌরসভায় মোট জনসংখ্যাঃ৩,৪১,২৫৫ জন (পুরুষ-১,৬৯,৮২৯ জন ও মহিলা-১,৭১,৪২৬ জন)।

এ অঞ্চলের মোট আবাদী জমি ৪৫,২০৩ একর ,প্রধান অর্থকরি ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, পাট, আখ ও গম।

কুমারখালী অঞ্চলে দর্শনীয়/ঐতিহাসিকস্থানের মধ্যে রয়েছেঃরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী,বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার,মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা,কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের বাস্তুভিটা,ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী বাঘা যতীন’র ভাস্কর্ষ ।

তবে কুমারখালী অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য নদী রয়েছেঃ ০২ টি (পদ্মা ও গড়াই নদী)।

উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছেঃ শিলাইদহ ডেইরী ফার্ম, বুলবুল টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড, রানা টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড, ইষ্টার্ন ফেব্রিক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড।

বর্তমানে কুমারখালী অঞ্চলে রয়েছে পুলিশ ফাঁড়ি/ক্যাম্প ০৮টি,পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ০১টি ও থানার সংখ্যা ০১টি।

এখানে রয়েছে, রেল স্টেশনের সংখ্যাঃ০২টি (কুমারখালী ও চড়াইকোল রেল স্টেশন), মোট রেল পথের দৈর্ঘ্যঃ ১৯.৫কি:মি:,ফায়ার সার্ভিস ষ্ট্রেশন ০১টি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স:০১টি । এছাড়াও এখানে উল্লেখযোগ্য আরো বেশ কিছু সরকারী ও বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 shomoyerbangla.com
Design & Developed BY shomoyerbangla
x